বিনোদন

বিশ্বাস করে ঠকেছি, মরে তো যাইনি: সুবাহ

সংগীতশিল্পী ইলিয়াস হোসাইন ও মডেল-অভিনেত্রী সুবাহ শাহ হুমায়রা গত বছরের ১ ডিসেম্বর ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে করেছিলেন। এর কয়েকদিন পর সেটা প্রকাশ্যে আনেন। এর পরেই শুরু হয় কাদা-ছোড়াছুড়ি।

জানা যায়, ইলিয়াস তার দ্বিতীয় স্ত্রী করিন নাজকে ডিভোর্স না দিয়েই সুবাহকে বিয়ে করেছেন। প্রথম দিকে ইলিয়াস ও সুবাহ দু’জনেই করিনকে দোষারোপ করেন। তবে পরক্ষণে তারা দু’জনেই হয়ে ওঠেন একে-অপরের প্রতিপক্ষ। ইলিয়াস অভিযোগ তোলেন, সুবাহ তাকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেছেন। এমনকি বিয়ের পর তার গায়েও নাকি হাত তুলেছেন। অন্যদিকে সুবাহর অভিযোগ, ইলিয়াস তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছেন। এসব তথ্য তারা দুজনই সংবাদ সম্মেলনে দিয়েছেন।

এদিকে মামলা চলমান অবস্থায় দুবাই উড়াল দিয়েছেন ইলিয়াস। এদিকে ইলিয়াস দুবাই গেলেও চুপ করে নেই সুবাহ। তিনি নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন। রোববার ১৬ জানুয়ারি রাতে একটি পোস্ট দেন সুবাহ। ছবি দিয়ে ক্যাপশনে লেখেন, ‘যে মেয়ের ফেরেশতার মতো এতো ভালো বাবা অকালে তাকে ছেড়ে কবরে চলে গেছেন! তখন ওই মেয়ে মানসিকভাবে স্ট্রং হয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে কাজ করে যাচ্ছে ফ্যামিলি আর বন্ধুদের নিয়ে ভালো ছিলো ভালো আছে। সেখানে তার সামান্য দুইদিনের উড়ে এসে জুড়ে বসা বেইমান টাইপের প্রতারক স্বামী যদি,, তার জীবন থেকে চলে যায় তো ওই মেয়ে কেনো ভেঙে পড়বে?’

তিনি আরও লেখেন, ‘হ্যাঁ কষ্ট পেয়েছি কেঁদেছি শুধু নিজের উপর আফসোস করে, যে কতই না বোকা ছিলাম যে আবারো ভুল করে ভুল মানুষকে বিশ্বাস করে ঠকেছি!! ঠকে গেছি মরে তো যাইনি!! ভালোই ছিলাম ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতে আরো ভালো থাকবো। যে বেইমানি করেছে যে ঠকিয়ে ধরা খেয়েছে,

ভেঙে তার পরা উচিত কারণ এতো ভালোবেসে ভালো রাখার পরেও যে ভালোভাবে থাকে না বেইমানি আর প্রতারণা করেছে আমার সাথে! ওই ব্যক্তি অনুশোচনার কারনে মরে যাওয়া উচিৎ’

Related Articles

Back to top button