বিনোদন

যে কারণে স্বামীর হাতে খু’ন হলেন চিত্রনায়িকা শিমু

গেলো সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে কেরানীগঞ্জের হ’জরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকা থেকে চিত্রনায়িকা রাই’মা ইস’লাম শিমুর (৩৫)বস্তাব’ন্দি ম’রদেহ উ’দ্ধার করা হয়েছে।

শিমুকে হ’ত্যা করার অ’ভিযোগে তার স্বামী শাখাওয়াত আলীম নোবেল ও তার বন্ধু ফরহাদকে গ্রে’প্তার করেছে কেরানীগঞ্জ থা’না পু’লিশ। তাদের আ’সামি করে হ’ত্যা মা’মলা দায়ের করা হয়। নি’হতের বড় ভাই শহীদুল ইস’লাম খোকন বাদী হয়ে মা’মলা’টি করেন।

এদিকে শিমুর ম’রদেহ উ’দ্ধারের পর তাকে হ’ত্যার তীর যায় চিত্রনায়ক জায়েদ খানের দিকে। তবে জল বেশি দূর গড়ানোর আগেই ফাঁ’স হয় হ’ত্যা র’হস্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধ’রা পড়ে শিমুর খু’নি। স’ম্পর্কে যিনি এই অ’ভিনেত্রীর স্বামী। প্রথমে শিমুর স্বামী নোবেল ও বন্ধু ফরহাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থা’নায় নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের সংশ্লিষ্টতা প্রতীয়মান হওয়ায় তাদের গ্রে’প্তার করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনে কলহ থাকায় শিমুকে হ’ত্যা করেছেন বলে জানায় নোবেল। আর হ’ত্যার পর লা’শ গু’মের জন্য তার বন্ধু ফরহাদের সহযোগিতা নেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নোবেল তার স্ত্রী’কে হ’ত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

শিমু হ’ত্যাকা’ণ্ড ইস্যুতে চিত্রনায়ক জায়েদ খান বলেন, ‘শিমুর সাথে গত দুই বছরে আমা’র দেখা বা কথা হয়নি। আর এখন যা দেখছেন তা হলো সামনে ৩-৪ জনকে রেখে পেছনে কলকাঠি নাড়ছেন অন্য কেউ। আমি দুই টার্ম নির্বাচিত হয়েছি, আমা’র সাফল্য অনেকেরই পছন্দ হচ্ছে না। শিমুর হ’ত্যাকারীকে যদি রেব আজকে না ধরতো তাহলে আমা’র বি’রুদ্ধে আ’ন্দোলন হতো এফডিসিতে। আমা’র কি হইতো খালি চিন্তা করেন একবার! আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই রেব ও পু’লিশকে।’

প্রসঙ্গত, অ’ভিনেত্রী শিমুর ১৯৯৮ সালে সিনেমায় অ’ভিষেক হয়। তিনি প্রায় ২৫টি সিনেমায় অ’ভিনয় করেছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া অর্ধশতাধিক নাট’কে অ’ভিনয় করেছেন তিনি। এ ছাড়া তিনি একটি টিভি চ্যানেলের মা’র্কিটিং বিভাগে কর্ম’রত ছিলেন।

শিমু চলচ্চিত্র অ’ভিনয়শিল্পী সমিতির সদস্যপদ হা’রানো ১৮৪ জনের মধ্যে একজন। তিনি ভোটাধিকার ফিরে পেতে আ’ন্দোলন করছিলেন।

Back to top button