বিনোদন

সিআইডি বন্ধ হওয়ায় হাতে কাজ নেই, বাড়িতে বসে সময় পার করছেন এসিপি প্রদ্যুমান

ফেসবুক পেজ-এ লাইক গুনে শেষ করা যায় না৷ একে নিয়ে জোক আর শায়েরিও হাজার-হাজার৷ নাম উঠেছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও৷ ঠিকই ধরেছেন৷ ‘সিআইডি’৷ ভারতীয় টেলিভিশনে দীর্ঘতম সিরিয়াল৷ কিন্তু কেন এত জনপ্রিয় এখনও?

সন্ত্রাসবাদীরা হামলা করেছে৷ মারাত্মক বোমা, উন্নত সব হাতিয়ার আর অনেক লোকবল তাদের৷ অন্য দিকে মাত্র দুজন৷ হাতে শুধু সার্ভিস রিভলবার৷ যুক্তি বলে সন্ত্রাসবাদীরাই জিতবে৷ কিন্তু সিআইডি বলে ইন্সপেক্টর দয়া একটা বিরাশি সিক্কার চড় কষাবে অপরাধীদের, অভিজিত্‍ গুলি করবে আর এসিপি প্রদ্যুম্ন ন্যারেটিভ দেবে কীভাবে সিআইডি আগে থেকেই সব কিছু জেনে ফেলেছিল৷ আপনি প্রশ্ন করতেই পারেন কেন সন্ত্রাসবাদীরা চড় খাওয়ার আগে গুলি চালায় না, কেনই বা বোমা ছোঁড়ে না? এর উত্তরে বলতেই হয় আপনি তাহলে ‘সিআইডি’-র নিয়মিত দর্শক নন৷

অথবা ইন্সপেক্টর অভিজিতের গুলি লেগেছে৷ হাসপাতাল থেকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে৷ দাহ করার সময় হঠাত্‍ উঠে বসলো অভিজিত্‍৷ এসিপি প্রদ্যুম্ন জানালেন আসলে এটা খুনিকে ধরার জাল ছিল৷ একটা বিশেষ ধরনের চিপ লাগানো ছিল অভিজিতের চিতায়৷ তার মাধ্যমেই পুরো বিষয়টা মনিটর করছিল সিআইডি টিম৷ বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন? তাহলে আবারও বলব আপনি সিআইডি-র নিয়মিত দর্শক নন৷ আচ্ছা, সুপারস্টার রজনীকান্তের সিনেমা দেখতে গেলে কি আপনার মনে এই সব প্রশ্ন আসে? আসে না তো? তেমনই ‘সিআইডি’ হল টেলিভিশনের রজনীকান্ত৷

যতই প্রতিকূল পরিস্থিতি হোক না কেন এর ক্ষয়ও নেই, বিনাশও নেই৷ আঠারো বছর ধরে, হ্যাঁ আঠারো বছর ধরে তাই ‘সিআইডি’-র টেলিভিশন রেটিং সব থেকে বেশি৷ কোনও সাস-বহু সিরিয়াল মাত্‍ দিতে পারেনি৷ যে চ্যানেলে ‘সিআইডি’ টেলিকাস্ট হয় সেই বেসরকারি চ্যানেলের মিডিয়া পার্সন গীতাঞ্জলী লাহিড়ি জানান-‘সিআইডি ছাড়া আমরা ভাবতেই পারি না৷ সেই ১৯৯৮ সাল থেকে এখনও সমান জনপ্রিয়৷ প্রথমে শুধু হিন্দিতেই হত৷ এখন তামিল, তেলুগু, বাংলায়ও সিআইডি হয়৷ এমনকী পাকিস্তানের ‘আপনা চ্যানেল’-এও সিআইডি টেলিকাস্ট করা হয়৷ আমদের চ্যানেলের জনপ্রিয়তার একটা বড় কারণ কিন্ত্ত এই সিরিয়াল৷’

এই জনপ্রিয়তার জন্যই বোধহয় সালমান খান থেকে আমির খান- সবাই নিজের ছবির প্রমোশনের জন্য বেছে নেন এই সিরিয়াল৷

Related Articles

Back to top button