বিনোদন

পু’লিশের জেরায় চাঞ্চল্যকর সব তথ্য দিলেন নোবেল ও তার বন্ধু

দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা রাই’মা ইস’লাম শিমু। তার ম’রদেহ উ’দ্ধারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হ’ত্যাকা’ণ্ডের র’হস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে পু’লিশ। বস্তাব’ন্দি লা’শ পাওয়ার পর থেকেই ট’ক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছেন তিনি। এ যেন এক নি’র্মম হ’ত্যাকা’ণ্ড, যা ঘটে গেল নায়িকার জীবনে।

এর আগে পু’লিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নায়িকা শিমুকে হ’ত্যার দায় স্বীকার করেছেন তার স্বামী খন্দকার শাখাওয়াত আলীম নোবেল। কিন্তু শিমুর বোন ফাতিমা নিশা এ বিষয়ে একমত নন বলে জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে তিনি এর সুষ্ঠ বিচার ও ত’দন্তের দাবি জানিছেন।

এদিকে পু’লিশের জেরায় চাঞ্চল্যকর সব তথ্য দিয়েছেন গ্রে’প্তারকৃত নোবেল ও তার বন্ধু ফরহাদ। নোবেলের জবানব’ন্দির বরাতে পু’লিশ জানিয়েছে, ‘গত শনিবার রাতে গ্রিন রোডের বাসায় শ্বা’সরোধে হ’ত্যার পরদিন বাল্যবন্ধু ফরহাদকে নিয়ে কেরানীগঞ্জে গিয়ে ম’রদেহ ফেলে দিয়ে আসেন নোবেল। ফিরে এসে কলাবাগান থা’নায় স্ত্রী’ নি’খোঁজের ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি।’

এ প্রসঙ্গে ঢাকা জে’লা পু’লিশের অ’তিরিক্ত সুপার শাহাবুদ্দিন কবির বলেন, ‘স্ত্রী’কে হ’ত্যার পর সারারাত ম’রদেহের সঙ্গেই থাকেন নোবেল। পরদিন সকালে বন্ধু ফরহাদকে বাসায় ডাকেন। সকালে তারা ভবনের নিরাপত্তাকর্মীকে নাস্তা আনতে বাইরে পাঠিয়ে একটি বস্তায় করে ম’রদেহটি গাড়িতে রাখেন। এরপর ম’রদেহ ফেলার জায়গা খুঁজতে তারা সাভা’র, আশুলিয়া ও মিরপুর বেড়িবাঁধের দিকে যান। কিন্তু সেখানে সুবিধা করতে না পেরে বিকেলে আবার ম’রদেহ নিয়ে বাসায় ফেরেন।

তিনি আরও বলেন, তারা রাত অবধি অ’পেক্ষা করে আবার লা’শ নিয়ে গাড়িতে করে বেরিয়ে পড়েন এবং কেরানীগঞ্জের আলিয়াপুর ম’রদেহ ফেলে আসেন। রবিবার রাতে ম’রদেহ ফেলার পর নোবেল কলাবাগান থা’নায় গিয়ে একটি জিডি করেন। জিডিতে বলা হয়, তার স্ত্রী’ রবিবার সকাল থেকে নি’খোঁজ।’

Back to top button