আলোচিত সংবাদ

বার বার নিষেধ করার পরেও শোনেনি,কথা বলতো প্রথম স্বামীর সাথে, সেই থেকেই শুরু, জিজ্ঞাসাবাদে মামুন

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ে করেন এক তরুণকে ওই শিক্ষিকা। তবে বয়সে ওই তরুণ শিক্ষিকা থেকে অনেক ছোট হওয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয় বিভিন্ন মহলে।

কোনো বাধাকে পাত্তা না দিয়ে সংসার জীবন চালিয়ে যাচ্ছিলেন ওই শিক্ষিকা। বিষয়টি নিয়ে না সময়ে তাকে অনেক বাধার সন্মুখীন ও কুটুক্তির স্বীকার হতে হয়। বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় এমন অসম বিয়ে মেনে নিতে চায় না।

ওই শিক্ষিকার আ/ত্মহত্যার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এলো যেসব তথ্য।প্রথম স্বামীর সঙ্গে শিক্ষিকা খায়রুন নাহার (৪০) মোবাইলে কথা বলতেন। এ বিষয়ে দ্বিতীয় স্বামী মামুন (২২) বহুবার নিষেধ করেছেন। কথা না শোনায় উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়।

এ নিয়ে শনিবার (১৩ আগস্ট) স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটিও হয় মামুনের।রোববার (১৪ আগস্ট) সকালে আটক মামুনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ এসব তথ্য জানায়।সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহসিন আলী জানান, খবর পেয়ে সিআইডির একটি দল রাজশাহী থেকে রওনা দিয়েছে। তারা ম/রদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠাবে।

সকালে নাটোর শহরের বালারীপাড়া এলাকার হাজী নান্নু মোল্লা ম্যানশনের চারতলার একটি ফ্ল্যাটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ছাত্রকে বিয়ে করা কলেজ শিক্ষকের লা/শ উদ্ধার করা হয়। ওই বাড়িতে ভাড়ায় থাকতেন তিনি।এর আগে শনিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষক খায়রুন নাহার গলায় ফাঁ/স দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেন মামুন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর ৩টার দিকে মামুন প্রতিবেশীদের ফোন করে জানায়, তার স্ত্রী খায়রুন নাহার গলায় ফাঁ/স দিয়ে আ/ত্মহত্যা করেছে। প্রতিবেশীরা তার বাড়িতে গিয়ে খায়রুনের নি/থর দেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। সন্দেহ হলে তারা মামুনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।নাটোর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লা/শের অবস্থা প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। মামুনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক খায়রুন নাহার প্রথম বিয়ে করেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলায়। প্রথম স্বামীরও ঘরে সন্তান ছিল। পারিবারিক কলহে সংসার বেশিদিন টিকিয়ে রাখতে পারেননি। তারপর কেটে যায় অনেক দিন। একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুকে) পরিচয় হয় ২২ বছরের যুবক মামুনের সঙ্গে। মামুনের বাড়ি একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে। নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।প্রসঙ্গত, তদন্তে বেরিয়ে আসছে তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত ঝামেলার ঘটনাগুলি। তবে প্রকৃত কি ঘটনা তাদের মধ্যে ঘটেছিল সে এখনো জানা যায়নি।

Related Articles

Back to top button