আলোচিত সংবাদ

আমি এসে দেখি আমার বোন-ভাগনে জীবিত, শ্বাস চলছে: শুভ

উত্তরার জসিমউদ্দিন এলাকায় বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম’র (বিআরটি) গার্ডারের নিচে চা’পা পড়ে নিহ’তের ঘটনাটিতে হ’ত্যাকা’ণ্ড বলে মনে করা হচ্ছে। জাহিদ হাসান শুভ নামে নিহ’তদের এক স্বজন এ দা’বি করেন।

শুভ বলেন, এটা তো অবশ্যই হ’ত্যাকা’ণ্ড। ফ্লাইওভারের ক্রেন যেটা উঠিয়েছে, সেটি ওজন ধারণ করতে পারেনি। কাত হয়ে পড়ে গেছে। রাস্তা ফাঁ’কা ছিল, আমরা একটি গাড়ির পেছনে ছিলাম। চলতি ক্রেনটি কাত হয়ে গাড়ির ওপর পড়ে গেছে।

সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঘটনাটি ঘটে। এর পর চার ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও দ্রুত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছিল না বলেও শুভ দা’বি করেন। তিনি বলেন, ক্রেন দিয়ে গার্ডার ওঠানোর কাজ করা হচ্ছিল। রাস্তায় কোনো ব্যা’রিকেড ছিল না। কিছুই ছিল না। এমন কাজ করছে, আমাদের পরিবারের ক্ষ’তি হয়েছে। আমার বো-ভাগ্নি চলে গেছে। আগামীতে যে এমন কোনো ঘটনা ঘটবে না, তার গ্যারান্টি আছে কিনা, প্রশ্ন তার।

শুভ আরও বলেন, রাস্তায় ব্যারিকেড থাকলে আমরা বিপ’রীত রাস্তা দিয়ে যেতাম। পুরোটাই প্রজেক্টের গা’ফিলতি। সাড়ে তিনটায় ঘটনা ঘটে, কোনো লোক আসে নাই। চার ঘণ্টা ধরে এই অবস্থা ছিল। হয়রানীর অভিযো’গও তোলেন তিনি। ঘটনার পরের অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি এসে দেখি আমার বোন-ভাগনে জীবিত, শ্বাস চলছে। আমার বেয়াই ড্রাইভ করছিলেন, তার হাত কাঁ’পছিল। প্রশাসনের দিকে ই’ঙ্গিত করে শুভ বলেন, উনারা কিছুই করেন নাই। সবাই ছবি তো’লা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।

আমি ঘটনার ১০ মিনিট পর আসি। এর আগে এক পুলিশ আমাদের ফোন দিয়ে বলেন, আপনাদের গাড়ি অ্যা’কসি’ডেন্ট করেছে। আমরা এয়ারপোর্ট থেকে দৌড়ে আসি। দেখি গাড়ি চা’পা পড়ে আছে। আমার ভাগ্নি ও তার স্বামীকে গাড়ি থেকে বের করে বসিয়ে রাখি। গাড়ির ভিতর মোট সাতজন ছিল।

পাঁচজন মা’রা গেছে। কাওলা থেকে আশুলিয়া যাচ্ছিলাম আমরা। প্রাইভেট কারটি চালাচ্ছিলেন শুভর ভাগ্নি জামাই হৃদয়ের বাবা রুবেল। সঙ্গে ছিলেন বরের শাশুড়ি ফাহিমা বেগম, তার বোন ঝর্ণা বেগম ও তার দুই সন্তান জাকারিয়া এবং জান্নাত। সৌভাগ্যক্রমে হৃদয় ও তার স্ত্রী রিয়ামনি প্রাণে বেঁ’চে যান।

Related Articles

Back to top button