আলোচিত সংবাদ

মা আমাকে মোটরসাইকেল কিনে দিতে চেয়েছিলেন, মামুন দিতে দেয়নি: শিক্ষিকার ছেলে

নাটোরের কলেজ শিক্ষিকা খাইরুন নাহারের মৃ’ত্যুর পর একটি প্রসঙ্গ জোরে সোরে আসছে সেটা হচ্ছে বাইক প্রস’ঙ্গ। খাইরুন নাহারের আগের পক্ষের ছেলে বৃন্তকে মোটরসাইকেল কিনে দেয়া নিয়েই নাকি স্বামী মামুনের সঙ্গে ম’নোমালিন্য ও মান অভিমা’নের সৃষ্টি। তারই কি নি’র্মম পরিণতি এই আ’ত্মহ’ত্যা? এ নিয়ে আলোচনা এখন নাটোরের সর্বত্র।

কলেজ শিক্ষিকা খায়রুনের আগের পক্ষে ছেলে সালমান নাফি বৃন্ত যিনি রাজশাহীর একটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে লেখাপড়া করছেন। তিনি ফোনে জানান, ‘অনেকে মনে করেন আমার মাকে মা’র্ডার করা হয়েছে।,

তার মায়ের মৃ’ত্যুর ব্যাপারে তার মতামত কি জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার মাকে মা’র্ডার করা না হয়ে থাকলেও ও (মামুন) আ’ত্মহ’ত্যার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন, মোটরসাইকেল কিনে দেয়ার প্রস’ঙ্গে তিনি জানান, আমার মা আমাকে মোটরসাইকেল কিনে দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু ও (মামুন) দিতে দেয়নি।

এনিয়েই তাদের মধ্যে ম’নোমা’লিন্য চলছিল, সে রাতেও তাদের মধ্যে এ নিয়ে ঝগ’ড়া হয়েছিল। কলেজছাত্র মামুনকে আ’টক করার পর থেকে আহাজারি করছে তার পরিবার। মামুনের বোন বলেন, ‘আমার ভাই এবং ভাবির মধ্যে আমরা কখনও ঝগ’ড়া দেখি নাই। আমার ভা’বির বাপের বাড়ির চাপ ছিল আর তার আগের প’ক্ষের ছেলে পাঁচ লাখ টাকা ও একটি বাড়ি চেয়েছিল।

আমার ধারণা এই নিয়ে ম’নোমা’লিন্য করে তিনি (ভাবি) আ’ত্মহ’ত্যা করেছেন। মামুনের বাবা বলেন, ‘আমার ছেলে বিয়ে করে আনার পর আমরা মেনে নেই, ওরা সুখেই সং’সার করছিল। আমার ছেলে অনেক ভালো ওর এমন কিছু করা সম্ভব না।’ এছাড়াও তার প্রতিবেশী-বন্ধুরা জানান, মামুন এমন ছেলে না। তার নামে নেশা সম্প’র্কে যা বলা হচ্ছে সেসব মি’থ্যা। যে অপরা’ধের স’ন্দেহে তাকে আ’টক করা হয়েছে তা সে করতে পারে না, দ্রুত তাকে ছেড়ে দেয়া হোক।

Related Articles

Back to top button