আলোচিত সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে গৃহবধূকে হত্যা, পরকীয়া প্রেমিক কারাগারে

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় গৃহবধূ লায়লা নূর মজুমদার নিপুকে (২৪) হত্যার দায় স্বীকার করেছেন তার পরকীয়া প্রেমিক মো. সোহাগ।শনিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল হোসেনের আদালত ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।সন্ধ্যায় রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিপন বড়ুয়া

বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আসামি সোহাগের সঙ্গে লায়লা বাড়ি থেকে বের হয়ে আসেন। পরে লায়লাকে শ্বাসরোধ হত্যার পর মরদেহ সুপারি বাগানে ফেলে রাখে সোহাগ ও তার বন্ধু মো. রফিক। হত্যার পর রফিক লায়লাকে ধর্ষণ করে। সোহাগকে লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রফিক পলাতক রয়েছে। সে সোহাগের এলাকার বাসিন্দা।

থানা পুলিশ সূত্র জানায়, ১৮ আগস্ট দুপুরে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের চরপলোয়ান গ্রামের গনি মিয়ার সুপারি বাগান থেকে লায়লার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন সকালে নিহতের স্বজনরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় লায়লার মোবাইলসহ সোহাগ হোসেনকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। সোহাগ একই এলাকার বাসিন্দা। পরে সোহাগ ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। লায়লা কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের দুবাই প্রবাসী আরিফুর রহমানের স্ত্রী।

পুলিশের ভাষ্যমতে জবানবন্দিতে সোহাগ জানান, তার সঙ্গে লায়লার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমের টানে লায়লা বাবাবাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে ১৬ আগস্ট তার সঙ্গে পালিয়ে আসেন। সোহাগ তার বন্ধু রফিকের প্রলোভনে একইদিন বিকেলে লায়লাকে নিয়ে রায়পুরের চরপলোয়ান গ্রামে রফিকের মামির বাড়িতে আসেন। ওই বাড়িতে তারা (সোহাগ ও লায়লা) শারীরিক সম্পর্ক করে। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ওই রাতে রফিকের মামি তাদের ঘর থেকে বের করে দেন। পথে সুপারি বাগানে সোহাগ ও রফিক শ্বাসরোধ করে লায়লাকে হত্যা করেন। হত্যার পর রফিক তাকে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তারা মরদেহটি বাগানে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।

Related Articles

Back to top button