আলোচিত সংবাদ

বিয়ের ১০ বছর পর একসঙ্গে চার সন্তান জন্ম দিলেন মৌসুমী

বিয়ের ১০ বছর পর এক সাথে চার সন্তানের জন্ম দিয়েছেন মৌসুমী বেগম নামের এক প্রসূতি। দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি।ভূমিষ্ঠ হওয়া চার নবজাতক সুষ্ঠু আছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসক।

মৌসুমী জেলার বিরল উপজেলার ভান্ডারা ইউনিয়নের ভান্ডারা সরকারপাড়ার শরিফুল ইসলামের স্ত্রী। বুধবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দেন ওই নারী। চার নবজাতকের মধ্যে তিনটি ছেলে ও একটি মেয়ে। বিয়ের ১০ বছর পর একসঙ্গে চার সন্তানের মা হলেন মৌসুমী বেগম।

আরও পরুন=রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের গড়াই নদীর পার দিয়ে বাধের রাস্তাটি দীর্ঘদিন পর পাকা করনের কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে খুশির আমেজ বইতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিনের এ দাবী পূরণ হওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষ রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।এ সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষে হলে কসবামাজাইল ইউনিয়নের শলুয়া, বড় খোলা, শান্তিকোলা, সূর্বণ কোলাসহ ৫ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ ভাবে সুবিধাভোগী হবেন বলে তারা জানিয়েছেন। এ ছাড়াও খুলুমবাড়ী ঘাট থেকে লাঙ্গলবাদ ঘাটে যেতে সময় বাঁচবে অনেক তাই ওই এলাকার মানুষের প্রাণের দাবী দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক নির্মাণ কাজ শেষ করার।

মঙ্গলবার সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায় সড়কের বেট কাটাসহ বালি দিয়ে তা ভরাট শেষ হয়েছে অপর পান্তে ইটের খোয়া দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। পাংশা উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা-গেছে ২৩ শত ২৪ মিটার ওই সড়কটির নির্মান কাজ করছেন সুনামধন্য ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনুস এন্ড বার্দাস নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ১ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা ব্যায়ে এ কাজ চলমান রয়েছে। এ নির্মান কাজের তদারকি করছেন পাংশা উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে কর্মরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা প্রতিনিয়তই কাজের সাইডে গিয়ে কাজ দেখভাল করছি, কাজটি যাতে সুন্দর ভাবে সময়ের মধ্যে হয় সে ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে তাগাদা দেওয়া হ

য়েছে।এদিকে বড়খোলা গ্রামের বাসিন্দা আজমল আলীসহ অনেকেই বলেন এ সড়কটি আমাদের জন্য অধীক প্রয়োজনীয় আমরা আমাদের গ্রামের মধ্যে দিয়ে এ সড়ক নির্মান হওয়ায় আমাদের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হতে চলেছে। কিছু মানুষ নানা ভাবে এ সড়ক নির্মানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে কেউ কেউ ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কিছু টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ধান্ধায় মাঝে মধ্যে বাজে কথা বলেছেন বলে আমরা শুনেছি আমরা চাই দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের এই সড়ক নির্মান কাজ শেষ হোক, আমরা শান্তিতে চলাফেরা করতে পারি।এ ব্যাপারে মেশাস ইউনুস এন্ড বার্দাস ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মোঃ সাচ্ছু বলেন মালামালের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় কাজে কিছুটা বিলম্ব হয়েছিল আমরা পুনরায় শুরু করেছি খুব তাড়াতাড়ি আমরা এ কাজ করার চেষ্টা করছি, সার্বক্ষণিক এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তারা এ কাজের দেখভাল করছেন।

Related Articles

Back to top button