আলোচিত সংবাদ

বাবার অনুপ্রেরণা আমাকে অনেক সাহসী করে তুলেছে: দীঘি

ঢালিউডে এ প্রজন্মের আলোচিত শিল্পীদের অন্যতম প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এ অভিনেত্রী গত বছর নায়িকার কাতারে নাম লিখিয়েছেন। দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ছবিতে তাকে প্রথমবার নায়িকা হিসেবে দেখেছে দর্শক।

সেই দীঘি এবার হাজির হয়েছেন ওয়েব প্ল্যাটফর্মে। সম্প্রতি চরকি-তে মুক্তি পাওয়া সুমন ধর পরিচালিত ‘শেষ চিঠি’ ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন তিনি। পাচ্ছেন দর্শকের প্রশংসা।ছোট্টবেলায় দীঘি যখন অভিনয় করত, তখন মা’ই ছিল তার সার্বক্ষণিক সাথী। তার মা চিত্রনায়িকা দোয়েল বেঁচে থাকলে আজ হয়তো সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন।কারণ শেষ চিঠির দীঘি অভিনয়ে আজ যে পরিপূর্ণ,

সেই পরিপূর্ণ দীঘিতে রূপান্তর করতেই মা স্বপ্ন দেখেছিলেন, ছোটবেলা থেকে তাকে অভিনয়ের সাথে সম্পৃক্ত করেছিলেন। কিন্তু দীঘি ছোট থাকতেই তার মা পরপারে চলে যান।তবে দীঘি তার চলার পথের প্রতিটি মুহূর্তে মাকে ভীষণভাবে অনুভব করেন। শেষ চিঠির তুলিকে স্ক্রিনে দেখার জন্য দীঘির বাবা নায়ক সুব্রতও যেন অপেক্ষা করছিলেন।শেষ চিঠি প্রকাশিত হয় ২ জুন, ৩ জুনই দীঘির বাবা শেষ চিঠি উপভোগ করে

দীঘির মুঠোফোনে ম্যাসেজ পাঠান। যাতে লেখা ছিল- ‘সুননাই শেষ চিঠি দেখলাম, সব মিলিয়ে অসাধারণ। সব মিলিয়ে ভালো করেছ। অনেক অনেক শুভ কামনা।’দীঘি জানেন তার বাবা একজন অভিজ্ঞ অভিনেতা, তার কাছ থেকে অভিনয়ে প্রশংসা পাওয়া খুব সহজ নয়। যে কারণে বাবার কাছ থেকে এই অনুপ্রেরণামূলক ম্যাসেজ পেয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন দীঘি।দীঘি বলেন, ‘আজ আম্মু বেঁচে থাকলে হয়তো আরো

অনেক বেশি খুশি হতেন। কারণ, আম্মু আমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাকে ভীষণ মিস করি প্রতি মুহূর্তে।’তিনি বলেন, বাবা শেষ চিঠি দেখার পর যে ম্যাসেজ দিলেন, তা ছিল আমার জন্য অনেক আনন্দের, উচ্ছ্বাসের। বাবার কাছ থেকে যে অনুপ্রেরণা পেয়েছি তা আমার চলার পথে অনেক সাহসী করে তুলেছে, আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।নায়িকা বলেন, দর্শকের কাছে ভীষণ কৃতজ্ঞতা, তারা প্রতিনিয়ত শেষ চিঠি দেখছেন এবং আমি প্রতিদিনই অনেক সাড়া পাচ্ছি। এটা আমার জন্য সত্যিই অনেক বড় প্রাপ্তি, ভীষণ অনুপ্রেরণারও বটে।

Related Articles

Back to top button