বিনোদন

কী লেখা ছিল সালমান শাহ’র সেই সুইসাইড নোটে

বাংলা চলচ্চিত্রের অমর নায়ক সালমান শাহ’র ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৯৬ সালের এই দিনে ভক্তদের কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। অল্প সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিলেন যে, তার মৃত্যুর ২৬ বছর পরেও ভক্তদের মনে সমান উন্মাদনা কাজ করে।

‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে সালমান শাহ নাম নিয়ে চলচ্চিত্রাঙ্গনে পা রাখেন। মাত্র চার বছরে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে যান তিনি। বৃহস্পতি তুঙ্গে থাকা অবস্থায় অর্থাৎ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন সালমান শাহ। যে রহস্যের জট আজও খোলেনি। সালমান শাহর পরিবারের দাবি—তাকে হত্যা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সন্দেহের আঙুল ওঠেছে স্ত্রী সামিরার দিকে। এদিকে স্ত্রী সামিরার দাবি— এখনো সালমান শাহর ভালোবাসা বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।

তবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন। এর পেছনে ৫টি কারণও উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্তারা। এগুলো হলো-

১. চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে তার অতিরিক্ত অন্তরঙ্গতা। ২. স্ত্রী সামিরার সঙ্গে দাম্পত্য কলহ। ৩. বেশি আবেগপ্রবণ হওয়ার কারণে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা। ৪. মায়ের প্রতি অসীম ভালোবাসা, যা জটিল সম্পর্কের বেড়াজাল তৈরি করে অভিমানে রূপ নেয়। ৫. সন্তান না হওয়ায় দাম্পত্য জীবনে অপূর্ণতা।

১৯৯৬ সালের আজকের দিনে (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে তখন তার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। সে সময় সালমানের বাসা থেকে একটি সুইসাইড নোট পায় পুলিশ।

যা লেখা ছিল সুইসাইড নোটে- আমি চৌঃ মোঃ শাহরিয়ার। পিতা কমরূদ্দীন আহমেহ চৌধুরী। ১৪৬/৫ গ্রীনরোড ঢাকা#১২১৫ ওরফে শালমান শাহ। এই মর্মে অঙ্গিকার করছি যে, আজ অথবা আজকের পর যে কোন দিন আমার মৃত্যু হলে তার জন্য কেউ দায়ী থাকবে না। স্বেচ্ছায়-স্বজ্ঞানে-সুস্থ মস্তিস্কে আমি আত্মহত্যা করছি।

Related Articles

Back to top button