অন্যান্য

ধ*র্ষণ বন্ধ না হলে নারীর ক্ষমতায়ন অসম্পূর্ণ থাকবে: মতিয়া চৌধুরী

ধ’’ র্ষ’ ণ বন্ধ করতে না পারলে নারীর ক্ষমতায়ন সম্পূর্ণ হবে না। যারা ধ’র্ষ’ক তারা কান কা’টা রমজান। কান কা’টা রমজানের কথা আম’রা ভুলে গেছি। ধ’র্ষ’ক মানেই খা’রাপ মস্তিষ্ক। সে সময় নাট’কে আম’রা দেখেছি। এটি একটি সামাজিক ব্যাধি। আর এই ব্যাধি নির্মূলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ধ’র্ষ’কের মৃ’ত্যুদ’ণ্ড আইন পাস করেছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) নেত্রকোনা জে’লা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অ’তিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি এসব কথা বলেছেন।

শহরের মোক্তারপাড়া পাবলিক হল মিলনায়তনে বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জে’লা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিয়র রহমান খান।

সভায় সাধারণ সম্পাদক সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরুর পরিচালনায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান বক্তা হিসেবে যু’ক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এছাড়াও সভায় অ’তিথি ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমা’র উকিল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মা’রুফা আক্তার পপি, কেন্দ্রীয় নেতা উপাধ্যক্ষ রেমন প্রমুখ।

মতিয়া চৌধুরী সভা শেষে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে আইন পাস করেছেন তাতে স্পষ্ট লিখা ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে এসব মা’মলা। সুতরাং দীর্ঘসূত্রিতার কোনো সুযোগ নেই। আপনাদের মনে আছে, যে সেই ৯১ তে বিএনপি যখন সরকার গঠন করলো তখন ইয়াসমিন ধ’’ র্ষ’ ণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই মা’মলার রায় কিন্তু আমাদের সময় হয়েছে ১৯৯৬ সনে। আম’রা রায় কার্যকর করেছি।

আপনারা ভুলে গেছেন যে আম’রাই প্রথম আওয়ামী লীগের ম্যানুফেস্টুনে যে জাতীয় পরিচয়পত্রে বাবার নামের পাশাপাশি মায়ের নাম থাকতে হবে। এটা নিয়ে আমাদের কিন্তু অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে যে মে’য়েদের নাম কেন থাকবে। অনেক কথা শুনতে হয়েছে। তখন আমাদের প্রধানমন্ত্রীই বলেছেন হাশরের ময়দানে মায়ের নামে ডা’কা হবে।

এটা আমাদের দেশে অনেকেই জানেনা। কাজেই নারীর ক্ষমতায়নের জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী যা করেছেন এইটা আমাদের নারী সমাজ চিরদিন মনে রাখবে।

ধ’’ র্ষ’ ণ বন্ধ করতে না পারলে নারীর ক্ষমতায়ন সম্পূর্ণ হবে না। যারা ধ’র্ষ’ক তারা কান কা’টা রমজান। কান কা’টা রমজানের কথা আম’রা ভুলে গেছি। ধ’র্ষ’ক মানেই খা’রাপ মস্তিষ্ক। সে সময় নাট’কে আম’রা দেখেছি। এটি একটি সামাজিক ব্যাধি। আর এই ব্যাধি নির্মূলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ধ’র্ষ’কের মৃ’ত্যুদ’ণ্ড আইন পাস করেছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) নেত্রকোনা জে’লা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অ’তিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি এসব কথা বলেছেন।

শহরের মোক্তারপাড়া পাবলিক হল মিলনায়তনে বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জে’লা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিয়র রহমান খান।

সভায় সাধারণ সম্পাদক সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরুর পরিচালনায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান বক্তা হিসেবে যু’ক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এছাড়াও সভায় অ’তিথি ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমা’র উকিল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মা’রুফা আক্তার পপি, কেন্দ্রীয় নেতা উপাধ্যক্ষ রেমন প্রমুখ।

মতিয়া চৌধুরী সভা শেষে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে আইন পাস করেছেন তাতে স্পষ্ট লিখা ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে এসব মা’মলা। সুতরাং দীর্ঘসূত্রিতার কোনো সুযোগ নেই। আপনাদের মনে আছে, যে সেই ৯১ তে বিএনপি যখন সরকার গঠন করলো তখন ইয়াসমিন ধ’’ র্ষ’ ণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই মা’মলার রায় কিন্তু আমাদের সময় হয়েছে ১৯৯৬ সনে। আম’রা রায় কার্যকর করেছি।

আপনারা ভুলে গেছেন যে আম’রাই প্রথম আওয়ামী লীগের ম্যানুফেস্টুনে যে জাতীয় পরিচয়পত্রে বাবার নামের পাশাপাশি মায়ের নাম থাকতে হবে। এটা নিয়ে আমাদের কিন্তু অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে যে মে’য়েদের নাম কেন থাকবে। অনেক কথা শুনতে হয়েছে। তখন আমাদের প্রধানমন্ত্রীই বলেছেন হাশরের ময়দানে মায়ের নামে ডা’কা হবে।

এটা আমাদের দেশে অনেকেই জানেনা। কাজেই নারীর ক্ষমতায়নের জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী যা করেছেন এইটা আমাদের নারী সমাজ চিরদিন মনে রাখবে।

 

Back to top button