অন্যান্য

মশার কামড়ে দৈনিক ম’রছে ২৮শ’ মানুষ

মশা আকারে ক্ষুদ্র হলেও অ’ত্যন্ত ভ’য়ংকর। ভাই’রাস, ব্যাকটেরিয়াসহ নানারকম জীবাণু বহন করে এই কী’ট। এদের মধ্যে সবচেয়ে মা’রাত্মক হলো এডিস মশা। সম্প্রতি এমনই এক প্রজাতির এডিস মশার দেখা মিলেছে যা ডেঙ্গু, জিকা, চিকুনগুনিয়া, জন্ডিসসহ প্রায় সব ধরনের মশাবাহিত রোগের বাহক।

পৃথিবীতে প্রায় ৩ হাজার ৫শ’ প্রজাতির মশা রয়েছে। এদের মধ্যে কিছু প্রজাতি রয়েছে যা বিভিন্ন রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। তবে শুধু বহন করেই ক্ষান্ত হয় না এরা, সামান্য কামড়ে রোগ ছড়িয়ে দিতে পারে একজন থেকে অন্যজনের শরীরেও। এমনই এক মা’রাত্মক প্রজাতির মশা হলো এডিস ভিটেটাস।

এডিস ভিটেটাস মশার উৎপত্তি ভা’রতীয় উপমহাদেশে হলেও বর্তমানে পশ্চিমা দেশগুলোতেও আশ’ঙ্কাজনকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে এটি। একমাত্র ম্যালেরিয়া ছাড়া সব ধরণের মশাবাহিত রোগের বাহক এই এডিস ভিটেটাস মশা। ডেঙ্গু, জিকা, চিকুনগুনিয়া, জন্ডিসসহ নানা মা’রাত্মক রোগের জীবাণু একাই নিজের পেটে বহন করতে পারে এটি। সবশেষ গুয়ান্তানামো উপসাগরে এর অস্তিত্ব ভাবিয়ে তুলেছে বিশেষজ্ঞদের।

আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি বছর মশাবাহিত রোগে ৭০ কোটি মানুষ আ’ক্রান্ত হচ্ছে । অর্থাৎ, বিশ্বে প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজন মশার কামড়ে অ’সুস্থ হচ্ছে। তাদের মধ্যে মা’রা যাচ্ছে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বা দিনে মা’রা যাচ্ছে প্রায় ২৮শ’ মানুষ।

করো’না মহমা’রির মধ্যেই এডিস ভিটেটাস মশার অস্বাভাবিক এ বিস্তার আগামী দিনে নতুন মহামা’রির সূত্রপাত ঘটাতে পারে বলে আশ’ঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

Back to top button