অন্যান্য

পালিয়ে বিয়ে, ১ বছর পর লা’শ হয়ে ফিরলেন অন্তঃসত্ত্বা সীমা

প্রে’মিকার সঙ্গে পালিয়ে বিয়ের এক বছর পর লা’শ হয়ে ফিরলেন সীমা আক্তার নামের ফেনীর এক তরুণী। তার অনাগত সন্তানও পৃথিবীর আলো দেখতে পারলো না। শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) রাতে দাদীর কবরের পাশে দাফন করা হয় জে’লার সোনাগাজীর এই তরুণীকে। সীমা সোনাগাজী উপজে’লার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের চরগোপালগাঁও গ্রামের ইতালি প্রবাসী ইব্রাহীমের মে’য়ে। তার স্বামী বগাদানা ইউনিয়নের মৃ’ত ওবায়দুল হকের ছোট ছে’লে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ আকাশ।

সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে আকাশের সাথে প্রে’মের স’ম্পর্কের জের ধরে পালিয়ে বিয়ে করে জয়নাল হাজারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সীমা। এরপর থেকে তারা ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন ভাড়া বাসায় থাকতো। বৃহস্পতিবার রাতে আকাশের মোবাইল থেকে সীমা’র বাবাকে ফোন করে জানানো হয় তার মে’য়ে আত্মহ’ত্যা করে ঢাকার উত্তর বাড্ডা এলাকায় ভাড়া বাসায় মা’রা গেছে। খবর পেয়ে সীমা’র বাবা ইব্রাহীম ওই বাসায় গিয়ে জানতে পারেন ভাটরা থা’নার পু’লিশ লা’শ উ’দ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে ময়নাত’দন্তের জন্য লা’শ প্রেরণ করেছে। পরে ম’র্গ থেকে লা’শ এনে শুক্রবার রাতে গ্রামের বাড়িতে সমাধি করা হয়। পালিয়ে বিয়ের ১ বছর পর লা’শ হয়ে ফিরলেন অন্তঃসত্ত্বা সীমা

সীমা’র বাবা ইব্রাহীম অ’ভিযোগ করে বলেন, আমা’র মে’য়ে আত্মহ’ত্যা করেনি। তাকে হ’ত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি ঢাকার ভাটরা থা’নায় আকাশকে আ’সামি করে একটি মা’মলা দায়ের করেছি। আমি আমা’র মে’য়ে হ’ত্যার বিচার চাই। স্থানীয় চরমজলিশপুর ইউপি চেয়ারম্যান এমএ হোসেন জানান, বেশ কয়েকবছর যাবত আকাশ নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আইসিটি বিষয়ক কনসালটেন্ট দাবি করে বিভিন্ন সরকারি দফতরে চাকরি দেওয়ার নামে স্থানীয়দের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। বিষয়টি নিয়ে কয়েক দফায় শালিসে কয়েকজনের টাকা উ’দ্ধারও করা হয়েছে।

ভাটারা থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান বলেন, সীমা নি’হতের ঘটনায় তার বাবা বাদি হয়ে ভাটারা থা’নায় মা’মলা দায়ের করেছেন। এ মা’মলার এজাহারভুক্ত আ’সামিকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে।

Back to top button