অন্যান্য

ইস’রায়েলি বর্বরতায় নিন্দা প্রকাশে আ’পত্তি জার্মানির

পূর্ব জেরুজালেমে আল আকসা ম’সজিদে ইস’রায়েলের বর্বরতায় নিন্দা প্রকাশে আ’পত্তি জানিয়েছে জার্মানি। অথচ কয়েকদিন ধরে চলা সেই হা’মলায় বহু মানুষ হতাহত হয়েছে। খবর ইয়ানি শাফাক

সোমবার (১০ মে) বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে জার্মানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ক্রিস্টোফার বার্জারকে দুবার জিজ্ঞেস করা হয়েছে যে তিনি জেরুজালেমের ঘটনায় নিন্দা প্রকাশ করবেন কিনা? তিনি সে প্রশ্ন এড়িয়ে বলেছেন, গত সপ্তাহে মিডল ইস্ট কোয়ার্টেট (ইউরোপিও ইউনিয়ন, রাশিয়া, যু’ক্তরাষ্ট ও জাতিসংঘ) দেয়া বিবৃতিই টেনে এনেছেন। বিবৃতিতে পূর্ব জেরুজালেমে সং’ঘর্ষের ঘটনায় কেবল ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করা হয়েছিল। ইস’রায়েলের বি’রুদ্ধে নিন্দা প্রকাশ করা হয়নি।

গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফিলি’স্তিনিদের ওপর ইস’রায়েলি বাহিনীর হা’মলার ছবি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে জার্মান সরকার চলমান সংকট কাটিয়ে উঠতে দুইপক্ষকেই সংযমের আহবান জানিয়েছে।

জেরুজালেমে ফিলি’স্তিনিদের ওপর টানা কয়েকদিনের আগ্রাসনের জবাবে সোমবার স্থানীয় সময় রাতে ইস’রাইলের অভ্যন্তরে রকেট হা’মলা চালায় ফিলি’স্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। এরই জবাবে গাজায় হামাসের অবস্থানে দফায় দফায় বিমান হা’মলা শুরু করে ইস’রাইলি বাহিনী। এতে, শি’শুসহ হতাহত বহু ফিলি’স্তিনি।

এর আগে গেল কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় সোমবার স্থানীয় সময় সকাল থেকেই জেরুজালেমের পবিত্র আল আকসা ম’সজিদ প্রাঙ্গণে ভূমি দখল মুক্ত করার দাবিতে প্রতিবাদকারী ফিলি’স্তিনিদের ওপর হা’মলা চালায় ইস’রাইলি নিরাপত্তা বাহিনী। এতে একদিনেই আ’হত হন তিন শতাধিক ফিলি’স্তিনি।

আল-আকসা ম’সজিদ মু’সলমানদের জন্য বিশ্বের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। তবে ইহুদিরা জায়গাটিকে তাদের নিজের উপাসনালয় হিসেবে দাবি করে।

১৯৬৭ সালে আরব-ইস’রায়েলের যু’দ্ধের সময় পূর্ব জেরুজালেম দখল করে ইস’রায়েল। এরপর ১৯৮০ সালে পুরো জেরুজালেম তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে; যা এখনো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে স্বীকৃতি পায়নি।

Back to top button