অন্যান্য

১৩ দিন পর বাড়ি ফিরে দেখেন কিছুই নেই

ইস’রায়েল-ফিলি’স্তিন যু’দ্ধবিরতির আজ দ্বিতীয় দিন। সংঘাতের ১১ দিন পর (২০ মে) তারা যু’দ্ধবিরতির ঘোষণা করে। এরই মধ্যে হাজারো উদ্বাস্তু ফিলি’স্তিনি বাড়ি ফিরেছেন। ১৩ দিন পর আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরে অনেকের কপালে হাত পড়েছে। কারণ তারা যেখানে থাকত তার আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। বো’মায় তছনছ হয়েছে তাদের ঘরবাড়ি।

শুক্রবার (২১ মে) ফিলি’স্তিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিল্প, বিদ্যুৎ ও কৃষি খাতের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা ফিরিয়ে আনতে ১০ কোটি মিলিয়ন ডলার খরচ হবে। অনেক এলাকায় পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

শনিবার (২২ মে) সকালে ফিলি’স্তিনিদের খোলা আকাশের নিচে, রাস্তার পাশে থাকতে দেখা গেছে।

গাজার ১৩ হাসপাতা’লে অনেক রোগীর ভিড়। তার মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পর্যাপ্ত নেই।

এরই মধ্যে গাজায় ত্রাণের চালান ঢুকেছে। ত্রাণের ট্রাকে খাবার, পানি ও জ্বালানি রয়েছে। জাতিসংঘের দ্রুত সাড়াদান তহবিল বলছে, প্রায় দুই কোটি ডলার মানবিক সহায়তা ফিলি’স্তিনিদের জন্য সরবরাহের প্রচেষ্টা রয়েছে।

ফিলি’স্তিনে এক হাজার বাড়িঘর বি’ধ্বস্ত হয়েছে। ৭০০ বাড়ি পুরো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আর ১৪ হাজার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চলতি মাসে শেখ জারাহ দখল নিয়ে সং’ঘর্ষে ইস’রায়েল-ফিলি’স্তিন যু’দ্ধ শুরু হয়। তারপর শুরু হয় ইস’রায়েলের ওপর দমন-পীড়ন। অনেকে এলাকা ছাড়েন। অনেকের নামেই মা’মলা হয়, যা আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি কাড়ে।

১১ দিন ধরে সংঘাত চলার পর ২০ মা’র্চ রাতে যু’দ্ধবিরতির ঘোষণা আসে। গত ১০ মা’র্চ রাত থেকে অধিকৃত এই উপত্যকায় ফিলি’স্তিনিদের স্থাপনায় বিমান হা’মলা চালায় ইস’রায়েল। হা’মলায় অন্তত ২৩২ ফিলি’স্তিনি নি’হত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬৫ শি’শু রয়েছে। অ’পরদিকে ইস’রায়েলে হামাসের ছোড়া রকে’টে ১২ জন নি’হত হয়েছেন।

Back to top button