আলোচিত সংবাদ

অবিলম্বে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে ছেড়ে দিন : সেফুদা

অস্ট্রিয়া প্রবাসী আ’লোচিত সেফাত উল্লাহ সেফুদা সম্প্রতি গ্রে’ফতার হওয়া হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অ’ভিযানের বিষয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘আমা’র সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরের দেখা হয়নি। তবে টেলিফোনে কথা হতো। হেলেনা জাহাঙ্গীর একজন স্মা’র্ট নারী, তিনি দুঃসাহসের সঙ্গে কথা বলতেন। অবিলম্বে এবং সম্মানের সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে ছেড়ে দিতে হবে।’

সেফুদা আরও বলেছেন, ‘রাতে হেলেনার বাসায় র‌্যা’­ব ঘেরাও করে তল্লা’শি চালায়। ঘুম থেকে উঠে দেখি হেলেনাকে অ্যারেস্ট (আ’ট’ক) করা হয়েছে।

এটি অ’ত্যন্ত দুঃখজনক। আমা’র নাতি হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অসম্মানজনকভাবে, একজন সিআইপিকে অ্যারেস্ট করা হলো। আমা’র ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে।’

‘হেলেনা জাহাঙ্গীরের মে’য়ে আমা’র ভাগ্নি জেসির একটি সাক্ষাৎকার দেখলাম একটি টেলিভিশনে। হেলানাকে মিথ্যা মা’মলায় জড়িয়ে তিলকে তাল করে র্যাদেরকে দিয়ে তছনছ করা হয়েছে।

ভাবটা এমন যে, চো’র ধ’রা পড়েছে। এখানে মধ্যরাত (অস্ট্রিয়া), ঘুম থেকে দুই ঘণ্টা আগে উঠে অনেক তথ্য নিয়েছি। হেলেনা জাহাঙ্গীরকে মিসগাইড করা হয়েছে। তাকে ছেড়ে দিন।’

এদিকে, শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কুর্মিটোলায় রেব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রেবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘সম্প্রতি আওয়ামী লীগের

মহিলাবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া হেলেনা জাহাঙ্গীর অস্ট্রিয়া প্রবাসী আ’লোচিত সেফুদাকে নাতি ডাকতেন। সেফুদার সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং তার সঙ্গে লেনদেনও ছিল হেলেনা জাহাঙ্গীরের।’

তিনি বলেন, ‘সেফুদা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশ্লীল ও কু’রুচিপূর্ণ বক্তব্যের মাধ্যমে দেশবাসীর নজর কাড়তে চেষ্টা করেন। তার সঙ্গে গ্রে’ফতারকৃতের নিয়মিত যোগাযোগ ও লেনদেন রয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।’

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘হেলেনা জাহাঙ্গীর অ’পকৌশলের মাধ্যমে নিজেকে ‘মাদার তেরেসা’, ‘পল্লীমাতা’, ‘প্রবাসীমাতা’ হিসেবে পরিচিতি পেতে জয়যাত্রা ফাউন্ডেশনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন। তার পৃষ্ঠপোষকতায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভুয়া খেতাবের অ’পপ্রচার চালাত।’

র‌্যা’­বের এই কর্মক’র্তা আরও বলেন, ‘বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংস্থা ও ব্যক্তিবর্গ থেকে জয়যাত্রা ফাউন্ডেশনের নামে অর্থ সংগ্রহ করতেন হেলেনা জাহাঙ্গীর।

যা মানবিক সহায়তায় ব্যবহারের চেয়ে গ্রে’ফতারকৃতের খেতাব প্রচার-প্রচারণায় বেশি ব্যবহার করা হতো। হেলেনা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রেখে নিজের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেন। তিনি ১২টি ক্লাবের সদস্যপদে রয়েছেন।’

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাত ১২টার দিকে গুলশানের ৩৬ নম্বর রোডের ৫ নম্বর বাসায় দীর্ঘ প্রায় চার ঘণ্টা অ’ভিযান শেষে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আ’ট’ক করে র‌্যা’­ব।

এ সময় তার বাসা থেকে বিদেশি ম’দ, অ’বৈধ ওয়াকিট’কি সেট, চাকু, বৈদেশিক মুদ্রা, ক্যাসিনো সরঞ্জাম ও হরিণের চামড়া উ’দ্ধার করা হয়। আ’ট’কের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যা’­ব সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

এছাড়া হেলেনা জাহাঙ্গীরের মালিকানাধীন আইপি টেলিভিশন জয়যাত্রার কার্যালয়ে অ’ভিযান চালিয়ে বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জ’ব্দ করা হয়।

Back to top button